ঘাটালের করোনা নিয়ে প্রশ্ন...


ঘাটালের করোনা নিয়ে প্রশ্ন...
২ জুন ২০২০: লালা রস সংগ্রহের প্রায় ১৫ দিন পর পাওয়া রিপোর্ট অনুযায়ী ঘাটাল মহকুমায় গত দু’দিনে মোট ১৩ জন করোনা সংক্রমিত হয়েছেন [•দাসপুর-১  ব্লকের দানিকোলার ২ জন, উত্তর ধানখালের ১ জন, •দাসপুর-২ ব্লকের চকসুলতানের ১ জন, চককিশোরের ১ জন, জোতগোবর্দ্ধনের ১ জন,   •ঘাটাল ব্লকের শীতলপুরের ২ জন, ঘোলার ১জন, সেকেন্দারপুরের ১ জন, মোহনচকের ১ জন, •ঘাটাল শহরের গড়প্রতাপনগরের ১ জন এবং  •চন্দ্রকোণা-১ব্লকের মাড়ের ১ জন]।  ওই ১৩ জনের বেশিরভাগেরই ১৭ মে লালা রস সংগ্রহ করা হয়েছিল। সেই সমস্ত লালার নমুনা ১৮ মে মেদিনীপুর করোনা হাসপাতালে জমা পড়েছিল। তাঁদের পরীক্ষার রিপোর্ট বেরিয়েছে ৩১ মে এবং ১জুন ২০২০ তারিখে। তাঁরা এত দিন কোরেন্টাইনেই ছিলেন।
যেহেতু তাঁদের ১৭ মে লালারস সংগ্রহ করা হয়েছিল সেই লালা রসের রিপোর্টের ভিত্তিতেই ৩১মে বা ১ জুন জানা গিয়েছে তাঁরা করোনা পজিটিভ। লালা রস সংগ্রহের ১৫ দিনের মধ্যে তাঁদের মধ্যে কোনও উপসর্গ দেখা দেয়নি। যাঁরা কোয়ারেন্টাইনে ছিলেন তাঁরাও বাড়িতে চলে গিয়েছেন। প্রশ্ন,  তাহলে কি তাঁরা এই মুহূর্তেও করোনা সংক্রমিত রয়েছেন?
আমি চিকিৎসক বা স্বাস্থ্য কর্মী নই, তাই আমার ওই প্রশ্নটা হয়তো অনেকটাই বোকাবোকা হয়ে গিয়েছে। কিন্তু এই মহকুমার পূর্ববর্তী কয়েকটি করোনা সংক্রমিত রোগীর কেস-হিস্ট্রি বিশ্লেষণ করে দেখুন, দেখবেন আমি খুব অমূলক প্রশ্ন করিনি। কিছু দিন আগে দাসপুরের কামালডিহি গ্রামে তিন জনের কিম্বা ঘাটালের কামারগেড়্যার এক ব্যক্তির করোনা সংক্রমণ জানার পরই তাঁদের বড়মা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ভর্তির পরেই তাঁদের ফের টেস্ট করে জানা যায় তাঁদের রিপোর্ট নেগেটিভ।
•স্বাস্থ্য দপ্তর করোনার মতো অতিমারির রিপোর্ট ১৫ দিন পরে দিচ্ছে কেন? ১৫ দিন পরের রিপোর্টের কোনও মূল্য কি আদৌ রয়েছে? •সত্যিই তাঁদের করোনা থাকে  তাঁরা তো এত দিনে অনেককেই সংক্রমিত করে দিয়েছেন?•এত দিন পরেই যখন রিপোর্ট দিচ্ছে  সেক্ষেত্রে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার আগে আরও একবার পরীক্ষা করে সুনিশ্চিত হওয়া দরকার ছিল না কি?


💬কাজলকান্তি কর্মকার || রাজ্যের প্রথম শ্রেণীর একটি বাংলা দৈনিক পত্রিকার সাংবাদিক
ঘাটাল || পশ্চিম মেদিনীপুর
M&W: 9933066200
eMail: ghatal1947@gmail.com
www.myghatal.com

0/Post a Comment/Comments

Previous Post Next Post
close