সময় করে ডিজিটাল রেশন কার্ডের জন্য অনলাইনে আবেদন করে দিন




কাজলকান্তি কর্মকার সাংবাদিক(M&W)9933066200• আপনি রেশন পান বা না পান, অনেক ক্ষেত্রেই আমাদের ঠিকানার প্রমাণ হিসেবে রেশন কার্ডের প্রত্যয়িত নকল  তথা ফটো কপি দিতে হয়। সেজন্য সবার

ক্ষেত্রেই রেশন কার্ডটি খুবই জরুরি হয়ে পড়ে। এর আগে অনেকেরই কাগজের রেশন কার্ড থাকতে পারে কিন্তু তাঁরা রেশনের সুযোগ-সুবিধে পান না। সেই কার্ডে ঠিকানারও অনেকে ভুলভ্রান্তি রয়েছে।  তাঁরা তাঁদের  ঠিকানার প্রমাণ তথা পরিচয়পত্রের জন্য বর্তমানে অনলাইনে ডিজিটাল রেশন কার্ডের জন্য আবেদন করতে পারেন।  নতুনরাও অনলাইনে আবেদন করতে পারেন। নিয়মঅনুযায়ী তাঁরা আগামী দিনে কোনও রেশন পাবেন না। এই কার্ডটি তাঁদের কেবলমাত্র সচিত্র পরিচয়পত্র হিসেবে ব্যবহৃত হবে।

•যাঁরা রেশনের সুবিধে পান তাঁরা  পরিচয়পত্রের জন্য এই ডিজিটাল কার্ডের আবেদন করতে যাবেন না•

অনলাইনে আবেদন করতে যাওয়ার আগে হাতের সামনে মনে করে যেগুলো রাখতে হবে—
১) নিজের সচল মোবাইল সেট। ২) একটি ইমেল আইডি। ৩) প্রত্যেক সদস্যের পুরানো রেশন কার্ড নম্বর। ৪) আধার কার্ডের নম্বর। ৫) ভোটার কার্ডের নম্বর। ৬) প্যান নম্বর। প্রত্যেক ক্ষেত্রে আধার কার্ডের নম্বর এবং পুরানো রেশন কার্ডের নম্বরটি থাকতেই হবে। তবে কারোরই কোনও নথির স্ক্যান কপি আপলোড করতে হবে না। নম্বরগুলো থাকলেই চলবে।
ধাপ-১: https://www.wbpds.gov.in/ এই ওয়েব সাইটে যেতে হবে।
ধাপ-২: ওই সাইটের নিচের দিকে Click here to apply online for Non-Subsidised Ration Card or Conversion to Non-Subsidised Ration Card —এই অপশনটা রয়েছে। সেখানে ক্লিক করতে হবে।
ধাপ-৩: দ্বিতীয় অপশনে গেলেই মোবাইল নম্বর চাইবে। যেখানে মোবাইল নম্বর দিলে আপনার মোবাইলে একটি ওটিপি আসবে। সেই ওটিপি দিয়ে আপনার মোবাইল নম্বরটি যাচাই করাতে হবে।
ধাপ-৪: এখানে দুটো অপশন রয়েছে। একটি পুরানোদের জন্য। অন্যটি যাদের রেশন কার্ড নেই তাদের জন্য। আপনার ক্ষেত্রে যেটা প্রযোজ্য সেটাতে ক্লিক করবেন।
ধাপ-৫: তারপর পর্যায়ক্রমে প্রত্যেকটি ঘর পূরণ করবেন। খুবই সহজ। কোনও রকম জটিলতা নেই। তবে মনে রাখবেন,  পরিবারের যিনি প্রধান তাঁর নামটি প্রথমে এন্ট্রি করবেন। সেটা হয়ে গেলে নিচের দিকে শো মেম্বার তারপর অ্যাড মেম্বারে ক্লিক করে পর পর প্রত্যেক সদস্যের নাম যোগ করে যাবেন। সবার নাম এন্ট্রি হয়ে গেলে শেষে সাবমিট করে দেবেন। টেনশন করার কোনও কারণ নেই। যদি কারোর নাম বা রিলেশন এন্ট্রি ভুল হয়ে যায় তাহলে সেটা ডিলিট করে নতুন করে এন্ট্রি করে নিতে পারবেন।
ধাপ-৬: সবার শেষে একটি প্রিন্টআউট রেখে দেবেন।
খাদ্য দপ্তরের কথা অনুযায়ী, ওই ভাবে আবেদন করার ৩০ দিনের মধ্যে আপনার বাড়িতে সবার নামে আলাদা আলাদা প্যান কার্ডের মতো ওই ডিজিটাল রেশন কার্ড চলে আসবে।
                                —সাবমিট করার পর এই ধরনের রিসিপ্ট প্রিন্ট করে রাখতে হবে—


💬কাজলকান্তি কর্মকার || রাজ্যের প্রথম শ্রেণীর একটি বাংলা দৈনিক পত্রিকার সাংবাদিক
ঘাটাল || পশ্চিম মেদিনীপুর
M&W: 9933066200
eMail: ghatal1947@gmail.com

0/Post a Comment/Comments

Previous Post Next Post
close